পবিত্র মাহে রমজান আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ ও সহমর্মিতার মাস। রমজানের এই পবিত্র শিক্ষাকে ধারণ করে এবং সমাজের প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষের সাথে ইফতারের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে আকন্দ ফাউন্ডেশন গ্রহণ করেছে এক ব্যতিক্রমী ও মহতী উদ্যোগ।
আকন্দ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ সাহেবের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং সার্বিক নির্দেশনায় পরিচালিত হচ্ছে মাসব্যাপী ‘৩০ দিনে ৩০ গ্রাম’ ইফতার কর্মসূচি। অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের এই মাসের আজ ২০ তম দিন অত্যন্ত সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।
২০তম দিনের আয়োজন: চাউবন গ্রাম
ধারাবাহিক এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০ তম দিনের বরকতময় ইফতার আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে গোসিংগা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী চাউবন গ্রামে।
গ্রামের রোজাদার মুসল্লি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিশু-কিশোর এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ইফতারের এই আয়োজনটি পরিণত হয়েছিল এক সম্প্রীতির মিলনমেলায়। সারাদিন সিয়াম সাধনার পর সবাই যখন একসাথে বসে ইফতারের জন্য হাত তুলে মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করেছেন, তখন সেখানে এক অভাবনীয় আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একসাথে বসে ইফতার করার যে অনাবিল আনন্দ ও তৃপ্তি, তা চাউবন গ্রামের উপস্থিত প্রতিটি মানুষের চোখে-মুখে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য
ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ সাহেবের এই মহৎ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো— শুধুমাত্র শহরের গণ্ডিতে আবদ্ধ না থেকে, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় রমজানের পবিত্রতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ পৌঁছে দেওয়া। “৩০ দিনে ৩০ গ্রাম” কর্মসূচির মাধ্যমে ফাউন্ডেশন প্রমাণ করেছে যে, আন্তরিকতা থাকলে সমাজের প্রতিটি মানুষের সাথেই আনন্দ ভাগ করে নেওয়া সম্ভব।
আকন্দ ফাউন্ডেশন সর্বদা বিশ্বাস করে, মানবিকতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই একটি সুন্দর, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতির সমাজ গঠন করা সম্ভব। আমাদের এই মাসব্যাপী পথচলায় যে সকল স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় প্রতিনিধি এবং শুভানুধ্যায়ী সার্বিক সহযোগিতা করেছেন, আকন্দ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।


