অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটালো আকন্দ ফাউন্ডেশন: ১০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ 2026

তারিখ: ২১ মার্চ, ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর মানেই আনন্দ, আর এই আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায় যখন তা সমাজের সকল স্তরের মানুষের মাঝে ভাগ করে নেওয়া হয়। “মানুষের পাশে থাকা এবং মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখা”—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে পথ চলছে আকন্দ ফাউন্ডেশন

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আমাদের এই প্রতিষ্ঠান। গত ১৯ ও ২০ মার্চ ২০২৬, দুই দিনব্যাপী এক বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার ১০০টি দুস্থ ও শ্রমজীবী পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

উপহার সামগ্রী বিতরণ ও আভিজাত্য

আকন্দ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ সাহেবের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং তাঁরই আন্তরিক শুভেচ্ছাবার্তা নিয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তাঁর পক্ষে উক্ত সামগ্রীগুলো সশরীরে উপস্থিত থেকে সুশৃঙ্খলভাবে বিতরণ করেন প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান আকন্দ সাহেব।

বিতরণকালে লুৎফর রহমান আকন্দ সাহেব বলেন, “আমরা কেবল কিছু পণ্য তুলে দিচ্ছি না, বরং ভালোবাসা ও সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি। ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ সাহেবের লক্ষ্যই হলো একটি বৈষম্যহীন ও সুখী সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি উৎসব সবাই মিলে উদযাপন করতে পারে।”

আমাদের অঙ্গীকার

আকন্দ ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে, সমাজের সামর্থ্যবান প্রতিটি মানুষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা দরিদ্র মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। কেবল উৎসব কেন্দ্রিক নয়, বরং সারা বছরই আর্তমানবতার সেবায় নানা ধরনের সামাজিক ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে আমাদের এই সংগঠন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আকন্দ ফাউন্ডেশনের এই মানবিক অগ্রযাত্রা ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আগামীতে আরও বড় পরিসরে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

আসুন, আমরা যে যার অবস্থান থেকে মানবতার সেবায় এগিয়ে আসি এবং সমাজের অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাই।


Facebook
WhatsApp
Telegram
Threads
Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রতিষ্ঠাতা
ব্যারিষ্টার মো জাহিদ হাসান আকন্দ

আকন্দ ফাউন্ডেশনের পথচলা শুরু হয়েছিল একটি সাধারণ উদ্দেশ্য নিয়ে—অসহায় মানুষের পাশে ভালোবাসা ও সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেওয়া। আমরা যে কোনো কিছুই সরবরাহ করি, যে খাবারই ভাগ করে নিই, অথবা যে জীবনকেই স্পর্শ করি না কেন, তার প্রতিটিতেই আমাদের সেই মূল লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়।

আমাদের পাশে থাকুন
ফেইসবুক
হোয়াটসএপ
ইমেইল
টেলিগ্রাম