সবার জন্য ইফতার ২০২৬,কাওরাইদ নান্দিয়া সাঙ্গুন গ্রাম ১৮তম দিন

পবিত্র মাহে রমজান সংযম, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাস। রমজানের এই পবিত্র শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে, সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের মাঝে আনন্দ ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ‘আকন্দ ফাউন্ডেশন’। ফাউন্ডেশনের সুযোগ্য প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ সাহেবের মহতী উদ্যোগে ও পৃষ্ঠপোষকতায় চলমান রয়েছে মাসব্যাপী বিশেষ ইফতার কর্মসূচি ‘৩০ দিনে ৩০ গ্রাম’।

অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, এই ধারাবাহিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগের আজ ছিল ১৮তম দিন। ১৮তম দিনের এই চমৎকার ইফতার আয়োজনটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে কাওরাইদ ইউনিয়নের অন্তর্গত নান্দিয়া সাঙ্গুন গ্রামে।

গ্রামের সর্বস্তরের রোজাদার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এই ইফতার মাহফিলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলে এক কাতারে বসে ইফতার করার মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে এক অপূর্ব ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন তৈরি হয়। ইফতারের আগ মুহূর্তে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং আকন্দ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ সাহেবের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

‘৩০ দিনে ৩০ গ্রাম’ কেবল একটি সাধারণ ইফতার কর্মসূচি নয়, এটি সমাজের প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষের সাথে সেতুবন্ধন তৈরির একটি অনন্য প্রয়াস। ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ সাহেবের এই মহতী উদ্যোগ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছে।

আকন্দ ফাউন্ডেশন ও ইয়ুথ ক্লাবের একদল নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবক প্রতিদিনের মতো আজও এই ইফতার আয়োজনকে সফল ও সুশৃঙ্খল করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। মাসব্যাপী এই কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে আকন্দ ফাউন্ডেশন বদ্ধপরিকর। আগামী দিনগুলোতেও অন্যান্য নির্বাচিত গ্রামে এই সম্প্রীতির ইফতার আয়োজন অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মানবতার কল্যাণে আকন্দ ফাউন্ডেশনের এই পথচলা অব্যাহত থাকুক। ফাউন্ডেশনের সকল কার্যক্রমে আপনাদের দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

Facebook
WhatsApp
Telegram
Threads
Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রতিষ্ঠাতা
ব্যারিষ্টার মো জাহিদ হাসান আকন্দ

আকন্দ ফাউন্ডেশনের পথচলা শুরু হয়েছিল একটি সাধারণ উদ্দেশ্য নিয়ে—অসহায় মানুষের পাশে ভালোবাসা ও সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেওয়া। আমরা যে কোনো কিছুই সরবরাহ করি, যে খাবারই ভাগ করে নিই, অথবা যে জীবনকেই স্পর্শ করি না কেন, তার প্রতিটিতেই আমাদের সেই মূল লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়।

আমাদের পাশে থাকুন
ফেইসবুক
হোয়াটসএপ
ইমেইল
টেলিগ্রাম