মাওনা ফ্লাইওভার এখন আবর্জনামুক্ত: ৬০০ স্বেচ্ছাসেবীর শ্রমে গড়ল ‘পরিচ্ছন্ন শ্রীপুর’

“আমরা বিশ্বাস করি, পরিবর্তন শুরু হয় এক ফোঁটা ঘাম থেকে”

স্থান: মাওনা ফ্লাইওভার, শ্রীপুর, গাজীপুর উদ্যোক্তা: ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ অংশগ্রহণকারী: ৬ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী


বিস্তারিত প্রতিবেদন:

শ্রীপুরের মাওনা ফ্লাইওভারের নিচের এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছিল। তীব্র দুর্গন্ধ আর আবর্জনার স্তূপ সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য ছিল চরম ভোগান্তির কারণ। সেই ভোগান্তি নিরসন এবং নগরীর সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আকন্দ ফাউন্ডেশন গ্রহণ করে এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ— ‘পরিচ্ছন্ন শ্রীপুর অভিযান’

নেতৃত্ব ও কার্যক্রম:

আকন্দ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ-এর নেতৃত্বে সকাল ১০টায় শুরু হয় এই মহাযজ্ঞ। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রায় ছয় শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী (Volunteers) হাতে হাত রেখে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করে ফ্লাইওভারের নিচের এলাকাটিকে এক নতুন রূপ দেওয়া হয়।

পরিবর্তনের দর্শন:

ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ এই উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন,

“মাওনা ফ্লাইওভারের নিচে জমে থাকা ময়লা শুধু শহরের নয়, এটি ছিল মানুষের ভোগান্তির প্রতিচ্ছবি। পরিচ্ছন্নতা শুধু কাজ নয়—এটি এক মানসিকতা, এটি এক ভালোবাসা। পরিবর্তন শুরু হোক আমাদের নিজেদের আশপাশ থেকেই।”

ফলাফল ও প্রভাব:

স্বেচ্ছাসেবীদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাওনা ফ্লাইওভার এলাকা এখন দুর্গন্ধমুক্ত ও চলাচলের উপযোগী। সাধারণ মানুষের কণ্ঠে এখন স্বস্তির নিঃশ্বাস এবং পরিবর্তনের জয়গান। আকন্দ ফাউন্ডেশন প্রমাণ করেছে, যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ একত্রিত হলে যেকোনো অসাধ্য সাধন করা সম্ভব।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

‘আমাদের শ্রীপুর, পরিচ্ছন্ন শ্রীপুর’—এই স্লোগানকে ধারণ করে আকন্দ ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতেও পরিবেশ সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাবে। যারা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে আমাদের সাথে যুক্ত হতে চান, তারা নিচের লিংকে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন: 🔗 ভলান্টিয়ার রেজিস্ট্রেশন লিংক

আসুন, সচেতন হই। নিজের শহরকে ভালোবাসি।

Facebook
WhatsApp
Telegram
Threads
Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রতিষ্ঠাতা
ব্যারিষ্টার মো জাহিদ হাসান আকন্দ

আকন্দ ফাউন্ডেশনের পথচলা শুরু হয়েছিল একটি সাধারণ উদ্দেশ্য নিয়ে—অসহায় মানুষের পাশে ভালোবাসা ও সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেওয়া। আমরা যে কোনো কিছুই সরবরাহ করি, যে খাবারই ভাগ করে নিই, অথবা যে জীবনকেই স্পর্শ করি না কেন, তার প্রতিটিতেই আমাদের সেই মূল লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়।

আমাদের পাশে থাকুন
ফেইসবুক
হোয়াটসএপ
ইমেইল
টেলিগ্রাম