আগামীর নেতৃত্ব তৈরিতে গাজীপুরে ‘ছায়া জাতিসংঘ’ সেমিনার: আকন্দ ফাউন্ডেশন ও HYD-এর যৌথ উদ্যোগ

“তারুণ্যের শক্তি, আগামীর সমৃদ্ধি”

স্থান: গাজীপুর আয়োজক: আকন্দ ফাউন্ডেশন ও হাউস অফ ইয়ুথ ডায়ালগ (HYD)


বিস্তারিত বিবরণ:

একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে এবং তরুণ সমাজকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে গাজীপুরে অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ সেমিনার— ‘ছায়া জাতিসংঘ’ (Shadow United Nations)। এই আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনটি যৌথভাবে পরিচালনা করে আকন্দ ফাউন্ডেশন এবং হাউস অফ ইয়ুথ ডায়ালগ (HYD)

বর্তমান বিশ্বে নেতৃত্ব প্রদান এবং কূটনৈতিক দক্ষতা অর্জন তরুণদের জন্য অপরিহার্য। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়, যেখানে গাজীপুরের বিপুল সংখ্যক তরুণ শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ করেন।

নেতৃত্ব ও কূটনৈতিক জ্ঞান বিকাশ:

এই মহতী উদ্যোগের মূল কারিগর এবং আকন্দ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ মনে করেন, আজকের তরুণরাই আগামীর বিশ্বনেতা। তাঁর দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এই সেমিনারটি তরুণদের মাঝে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বিতর্ক চর্চা এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচার সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে।

সেমিনারে বক্তারা উল্লেখ করেন, প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রম বা এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস (যেমন: ছায়া জাতিসংঘ) একজন শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে বাতিঘরের মতো কাজ করে।

আয়োজনের মূল উদ্দেশ্যসমূহ:

১. নেতৃত্বের গুণাবলী তৈরি: তরুণদের মধ্যে সঠিক নেতৃত্বের গুণাবলী ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। ২. কূটনৈতিক জ্ঞান: আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা প্রদান। ৩. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: যুক্তিতর্ক ও আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশে তরুণদের আত্মবিশ্বাসী করে তোলা। ৪. সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণ: তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি ইতিবাচক ও প্রগতিশীল সমাজ গড়ে তোলা।

আকন্দ ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে, যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে পারলে দেশ ও জাতি এগিয়ে যাবে। হাউস অফ ইয়ুথ ডায়ালগ (HYD)-এর সাথে এই যৌথ পথচলা তরুণদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

Facebook
WhatsApp
Telegram
Threads
Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রতিষ্ঠাতা
ব্যারিষ্টার মো জাহিদ হাসান আকন্দ

আকন্দ ফাউন্ডেশনের পথচলা শুরু হয়েছিল একটি সাধারণ উদ্দেশ্য নিয়ে—অসহায় মানুষের পাশে ভালোবাসা ও সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেওয়া। আমরা যে কোনো কিছুই সরবরাহ করি, যে খাবারই ভাগ করে নিই, অথবা যে জীবনকেই স্পর্শ করি না কেন, তার প্রতিটিতেই আমাদের সেই মূল লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়।

আমাদের পাশে থাকুন
ফেইসবুক
হোয়াটসএপ
ইমেইল
টেলিগ্রাম