এতিম শিশুদের চোখে আগামীর স্বপ্ন: বরকুল নূরে মদিনা মাদরাসায় আকন্দ ফাউন্ডেশনের ভালোবাসার ছোঁয়া

ট্যাগলাইন: “একটি আলোকিত আগামী গড়ার প্রত্যয়”

স্থান: বরকুল নূরে মদিনা তাহফিজুল কুরআন মাদরাসা ও এতিমখানা উদ্যোক্তা: ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ


বিস্তারিত প্রতিবেদন:

মানবতার সেবায় নিবেদিত আকন্দ ফাউন্ডেশন আবারও প্রমাণ করল যে, ভালোবাসাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শক্তি। সম্প্রতি বরকুল নূরে মদিনা তাহফিজুল কুরআন মাদরাসা ও এতিমখানায় অনুষ্ঠিত হলো এক অনন্য ও আবেগঘন আলোচনাসভা। এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মনে সাহসের সঞ্চার করা এবং তাদের স্বপ্নের পথে একধাপ এগিয়ে দেওয়া।

স্বপ্ন ও শিক্ষার মেলবন্ধন:

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ও উদ্যোক্তা ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ শিশুদের সাথে অত্যন্ত আন্তরিক ও নিবিড় সময় কাটান। এটি কোনো সাধারণ সভা ছিল না; এটি ছিল হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের সংযোগ। তিনি শিশুদের শিক্ষার গুরুত্ব, তাদের লালিত স্বপ্ন এবং ভবিষ্যতের লক্ষ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। তোমাদের প্রতিটি স্বপ্ন পূরণ করতে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হতে হবে।” তার অনুপ্রেরণামূলক কথাগুলোতে ফুটে ওঠে গভীর মমতা, দায়িত্ববোধ এবং মানবতার প্রতি অবিচল অঙ্গীকার।

আমাদের দায়বদ্ধতা:

আকন্দ ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে, এতিম শিশুরা সমাজের বোঝা নয়, বরং সঠিক যত্ন পেলে তারাই হতে পারে দেশের সম্পদ। ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ তাঁর বক্তব্যে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মহলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি মনে করিয়ে দেন, “আমাদের সকলেরই নৈতিক কর্তব্য এই শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের জন্য একটি নিরাপদ ও আলোকিত আগামী গড়ে তোলা।”

একনজরে ইভেন্ট:

  • আয়োজন: এতিম শিশুদের সাথে মতবিনিময় ও আলোচনাসভা।
  • স্থান: বরকুল নূরে মদিনা তাহফিজুল কুরআন মাদরাসা ও এতিমখানা।
  • মূল বক্তা: ব্যারিস্টার জাহিদ হাসান আকন্দ।
  • আলোচ্য বিষয়: শিক্ষা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও মানবিক মূল্যবোধ।

আকন্দ ফাউন্ডেশন এভাবেই ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিতে চায় প্রতিটি অসহায় শিশুর দিকে। আসুন, আমরাও শরিক হই এই মানবিক যাত্রায়।

Facebook
WhatsApp
Telegram
Threads
Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রতিষ্ঠাতা
ব্যারিষ্টার মো জাহিদ হাসান আকন্দ

আকন্দ ফাউন্ডেশনের পথচলা শুরু হয়েছিল একটি সাধারণ উদ্দেশ্য নিয়ে—অসহায় মানুষের পাশে ভালোবাসা ও সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেওয়া। আমরা যে কোনো কিছুই সরবরাহ করি, যে খাবারই ভাগ করে নিই, অথবা যে জীবনকেই স্পর্শ করি না কেন, তার প্রতিটিতেই আমাদের সেই মূল লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়।

আমাদের পাশে থাকুন
ফেইসবুক
হোয়াটসএপ
ইমেইল
টেলিগ্রাম